সুখবর পেলেন নেইমার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণার আগে থেকে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তাকে নিয়েই। অনেক নাটকের পর কার্লো আনচেলত্তির দলে জায়গা হয়েছে সবচেয়ে বড় তারকার। তবে এখনো ইনজুরির সঙ্গে লড়ছেন নেইমার। টুর্নামেন্ট শুরুর একদিন আগে অবশ্য সুসংবাদ পেলেন তিনি।
প্রায় তিন বছর ব্রাজিলের হয়ে মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। একের পর এক ইনজুরিতে জর্জরিত নেইমার এবারের বিশ্বকাপে দলে থাকবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল দল ঘোষণার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। ফুল ফিট না হলেও নেইমারকে চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা দিয়েছেন আনচেলত্তি। তাতে পূরণ হয়েছে আরও একটি বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। আর এটাই যে তার শেষ বিশ্বকাপ সেটা নিশ্চিত করলেন ‘গ্লেবো’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে।
নেইমার বলেছেন, ‘এটি আমার চতুর্থ বিশ্বকাপ হলেও অনুভূতিটা একেবারেই ভিন্ন। কারণ এর সঙ্গে অনেক কিছু জড়িয়ে আছে এবং অবশ্যই এটিই আমার শেষ বিশ্বকাপ। আমি এখানে এমন অনুভূতি নিয়ে এসেছি যেন আমি একজন কিশোর, ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ, যে নিজের প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে।‘
বিশ্বকাপের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করার কথাই জানালেন নেইমার, ‘এখানে থাকতে পেরে আমি খুবই গর্বিত, খুব খুশি। আমি এই বিশ্বকাপের প্রতিটি সেকেন্ড, প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে চাই। আর আমি আশা করি, এই বিশ্বকাপটিও আমার জন্য বিশেষ কিছু হয়ে থাকবে।’
ফিটনেসের সঙ্গে লড়তে থাকা নেইমার আবারও বিপদে পড়েন বিশ্বকাপের ঠিক আগে। গত মাসে সান্তোসের হয়ে ম্যাচ খেলার সময় চোট পান নেইমার। ব্রাজিলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার দিন পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়, গ্রেড-২ মাসল টিয়ার ধরা পড়েছে তার। পায়ের এই মাংসপেশির চোটে দুই থেকে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিটকে যান তিনি।
চোটের অবস্থা জানতে ৩৪ বছর বয়সী নেইমারকে আবারও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সেখানেই মিলেছে ইতিবাচক ফল।
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ) বলছে, দ্রুতই ফুল ফিট হয়ে যাবেন নেইমার, ‘পরীক্ষায় তার চিকিৎসা প্রত্যাশিত মানদণ্ড অনুযায়ী ভালো অগ্রগতি হয়েছে। ব্রাজিল জাতীয় দলের মেডিকেল স্টাফদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি তার পুনর্বাসন এবং শারীরিক প্রস্তুতির প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবেন।’ সবকিছু পরিকল্পনা মতো এগোলে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের দ্বিতীয় ম্যাচে ফিরতে পারেন নেইমার।




