বিশ্বকাপ শিরোপায় চোখ নেদারল্যান্ডসের

সংগৃহীত ছবি
‘টোটাল ফুটবলের’ জনক বলা হয় তাদের। তিনবার ফাইনালে উঠলেও শিরোপা ছুঁয়ে দেখা হয়নি নেদারল্যান্ডসের। প্রতি আসরের মতো এবারও শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছে কমলা জার্সিরা। ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাচ তারকা ড্যানজেল ডামফ্রিস জানালেন, এবার বিশ্বকাপ জিততেই যুক্তরাষ্ট্রে পা রাখবেন তারা।
১৯৭৪, ১৯৭৮ সালে পরপর দুবার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ডাচদের। ২০১০ ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে আবারও মন ভাঙে নেদারল্যান্ডসের। সবশেষ ২০২২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে টাইব্রেকারে পরাস্ত হয় তারা।
ডামফ্রিস জানালেন, অতীতের সব হতাশা পেছনে ফেলে এবার শিরোপা জিততে চায় ডাচরা, ‘কিছু লক্ষ্য নিয়েই আমরা বিশ্বকাপে যাচ্ছি। চার বছর আগের তুলনায় আমরা অনেক ভালো দল। আমাদের স্বপ্ন একটাই, বিশ্বকাপ জেতা। আমাদের বিশ্বকাপ জেতার মতো দল আছে। ম্যাচের পর ম্যাচ ফর্মটা ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ। এটা সহজ কাজ না। আশা করি আমরা সর্বোচ্চটা দিয়েই সাফল্য পাব।‘
কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের লড়াই হয়েছিল সমানে সমান। অন্তিম মুহূর্তে ম্যাচে সমতা আনে ডাচরা। টাইব্রেকারে এমির বীরত্বে হার মানে কমলা জার্সিরা। ডামফ্রিস এখনো সেই কস্টের মুহূর্তটা ভুলতে পারেননি, ‘ওই ম্যাচের কথা ভাবতে ভালো লাগে না। সমর্থকরাও তাই ভাবেন। নিরপেক্ষ দর্শকের জন্য ম্যাচটা দারুণ ছিল। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে না পারাটা কস্টের ছিল। তবে ওই হার এবার আমাদের বাড়তি একটা অনুপ্রেরণা জোগাবে।‘
নেদারল্যান্ডস সবশেষ ফাইনালে উঠেছিল ২০১০ সালে। সেবার স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হয় তারা। সেই হারের স্মৃতি এখনো পীড়া দেয় ডামফ্রিসকে, ‘ফাইনাল ম্যাচটা খুব কষ্টের ছিল। আমি তখন ছোট ছিলাম, অনেক কেঁদেছি। এই মুহূর্তগুলোই আপনাকে মনে করিয়ে দেয় যে জীবনে অনেক বড় কিছু অর্জন করা সম্ভব। নেদারল্যান্ডসের সেই সক্ষমতা আছে।‘
বিশ্বকাপ মিশনে সমর্থকদের পাশে চান ডামফ্রিস, ‘প্রতি আসরেই ডাচ সমর্থকরা আমাদের পাশে থাকেন। এবারও সেটা চাইছি। তারা অনেক দূরের পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্বকাপ দেখতে আসবেন। আশা করি মাঠে তাদের সুবাদেই ‘ডাচ ভাইভ’ আসবে।‘
১৫ জুন জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ডাচরা। এফ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ সুইডেন ও তিউনিসিয়া।






