প্রথম ওয়ানডে
ফুটবল উন্মাদনার মধ্যে অস্ট্রেলিয়া বধের মিশনে বাংলাদেশ

ছবি: আগামীর সময়
বিশ্ব জুড়ে এখন ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। বিশ্বকাপ শুরুর আর দুদিন বাকি। এর মধ্যে ১৫ বছর বাংলাদেশের মাটিতে সাদা বলের সিরিজ খেলতে এসেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। আজ বেলা ১১টা মিরপুর শেরেবাংলায় অনুষ্ঠিত হবে প্রথম ওয়ানডে। অস্ট্রেলিয়ার মূল ক্রিকেটারদের অনেকেই এই সিরিজে থাকছেন না। তাই বাংলাদেশের সামনে সিরিজ জয়ের বড় সুযোগ।
শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের মূল উইকেটে আছে সবুজ ঘাসের ছোঁয়া। মিরপুরের চেনা স্পিনস্বর্গ বা মন্থর উইকেটের চেনা রূপটা এবার গায়েব। আর এই সবুজ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার মতো পরাশক্তির বিপক্ষে খেলতে নামার আগে বিন্দুমাত্র ব্যাকফুট বা শঙ্কিত নয় বাংলাদেশ দল। বরং স্পোর্টিং ও ভালো উইকেটে খেলে ব্যাটসম্যানদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মরিয়া স্বাগতিকেরা।
গতকাল মঙ্গলবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ‘সবাই মনে করে মিরপুর মানেই কেবল স্পিন উইকেট, খারাপ উইকেট; কিন্তু এখন আর বিষয়টি তেমন নয়। আমার মনে হয়, আমরা মিরপুরেও ভালো উইকেট তৈরি করতে পারি, যা গত দুই-তিনটি সিরিজে দেখা গেছে। আমরা ভালো উইকেটে খেলার চেষ্টা করব। কারণ, আমরা যদি ভালো উইকেটে ম্যাচ জিততে পারি, বোলাররা ভালো বল করে এবং ব্যাটসম্যানরা রান পায়, তবে দিনশেষে আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেক উঁচুতে থাকবে। সামনে যেহেতু বিশ্বকাপ (ওয়ানডে বিশ্বকাপ) আছে, তাই ভালো উইকেটে খেলে আত্মবিশ্বাস অর্জন করাটা দলের জন্য অনেক বড় সাহায্য হবে।’
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ পরিকল্পনার বড় অংশ জুড়ে আছেন বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক জস ইংলিস বাংলাদেশের এই গতিতারকাকে নিয়ে আলাদাভাবে সতর্ক। যদিও রানার বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা তার নেই, তবে ভিডিও ফুটেজ দেখে তিনি রোমাঞ্চিত, ‘সে খুব লম্বা এবং দারুণ গতিতে বল করতে পারে। এমন বোলার যেকোনো ব্যাটসম্যানের জন্যই কঠিন পরীক্ষা।’
অধিনায়ক মিরাজও রানার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন। ভবিষ্যতে দক্ষিণ আফ্রিকায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এটা তার পেস বোলিং ইউনিটকে শক্তিশালী করার মিশন, ‘আমি যখন প্রথম অধিনায়কত্ব পাই, দলের অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। আমি একটা ভালো কম্বিনেশন গড়তে চেয়েছিলাম এবং আমরা সবাই নাহিদ রানার সামর্থ্য সম্পর্কে জানি। সে গতির সঙ্গে দারুণ লাইন-লেন্থ ধরে রাখতে পারে। সামনে যেহেতু দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ, তাই আমাদের পেস আক্রমণ শক্তিশালী করা খুব জরুরি ছিল। আমরা তাকে আত্মবিশ্বাস ও সাহস দিয়েছি।’






