কারাগার থেকে আদালতে রামিসা হত্যার দুই আসামি

ছবি: আগামীর সময়
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়েছে।
আজ রবিবার তাদের প্রিজন ভ্যানে আদালতে আনা হয়। এ সময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে আজ। পুলিশ জানায়, দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামি সোহেল রানা কৌশলে তাকে একটি পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে যান়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে এসে রামিসাকে ডাকাডাকি করেন তিনি।
ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার মা ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দাদের ডেকে এনে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে সোহেল ও স্বপ্নার শোয়ারঘরে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বালতির ভেতর তার কাটা মাথা দেখতে পান তারা। ওই সময় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না কক্ষের ভেতরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
এই নৃশংস ঘটনার পর ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে হাজির হয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিনে আদালত অপর আসামি ও সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।






