মূল্যসংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই বাড়ছে ইয়াকিন পলিমারের দর

সংগৃহীত ছবি
দেশের শেয়ারবাজারে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের শেয়ারের দাম সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) ছাড়াই চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে কোম্পানিটির শেয়ার দর টানা বাড়তে থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। এতে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের ঝুঁকির আশঙ্কা।
তবে এই দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
শেয়ারের দাম ও লেনদেনের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় গত ২১ মে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে একটি চিঠি পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বর্তমানে তাদের কাছে এমন কোনো অপ্রকাশিত তথ্য নেই, যা শেয়ারের দাম বা লেনদেনকে প্রভাবিত করতে পারে।
অর্থাৎ কোম্পানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা আর্থিক অবস্থানে এমন কোনো নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেনি, যা এই দরবৃদ্ধিকে যৌক্তিক করতে পারে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য বলছে, কোম্পানিটির শেয়ারের দাম গত তিন মাসে দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত ৮ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ছিল ১৫.৫০ টাকায়। আর গত ২১ মে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২৫.৩০ টাকায়। ফলে প্রায় আড়াই মাসের ব্যবধানের শেয়ারটির দাম বেড়েছে ৯.৮০ টাকা বা ৬৩ শতাংশের বেশি।
মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। কোনো কোনো সেশনে দৈনিক লেনদেন অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। সাধারণত ছোট মূলধনী কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এমন লেনদেনের তীব্রতা প্রায়ই কৃত্রিম চাহিদাকে ইঙ্গিত করে।
প্রসঙ্গত, ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০১৬ সালে। ‘জেড’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৭৩ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৩৬ লাখ ৯৮ হাজার ৮১৭টি। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৩০.১০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১০.৯৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫৮.৯৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।






