নাঙ্গলকোটে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, ব্যবসায়ীকে পিটুনি

জিয়াউল হক। ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে জিয়াউল হক নামের এক মুরগি দোকানির বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের ওমরগঞ্জ বাজারে ঘটে এই ঘটনা।
শিশুটির তথ্যে বাজারে থাকা একাধিক যুবক ও ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক জিয়াউলকে আটক করে গণধোলাই দেয়। শিশুটি পড়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায়।
জিয়াউল পাটোয়ার কারী বাড়ির আবদুল মন্নানের ছেলে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ বা মামলা হয়নি।
জানা যায়, রোববার রাতে ওমরগঞ্জ বাজারে আসে শিশুটি। এরমধ্যে জিয়াউল তাকে তার দোকানে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর বৃষ্টি শুরু হলে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে সে। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে শিশুটি দৌড়ে চলে যাওয়ার সময় বাজারে থাকা কয়েকজন যুবক তাকে কেন দৌড়াচ্ছে তা জানতে চায়। ওই শিশু বিস্তারিত খুলে বললে যুবকরা জিয়াউলকে পিটুনি দেয়।
এ বিষয়ে ওমরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী বারী উদ্দিন বলেছেন, বৃষ্টির সময় শিশুটির চিৎকার শুনতে পায় কিছু যুবক। পরে ভিকটিম বাড়ি যাওয়ার সময় যুবকরা শিশুটিকে জিজ্ঞেস করলে সে ঘটনাটি খুলে বলে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী জিয়াউলের বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, শিশুটির বাবা কিছু বলতে রাজি হননি।
অভিযুক্ত জিয়াউল হক পালিয়ে যাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি পুলিশের ফোর্স। তদন্ত করে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।






