জামায়াত নেতার ফেস্টুন কাটাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, ভাঙচুর

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে ফেস্টুন কেটে ফেলার প্রতিবাদ করায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খাঁন সুমনকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ ওঠেছে জেলা পরিবহন শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে।
আজ রবিবার রাতে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী বাজারের চ্যানেল নামক পোশাক শোরুমে ঘটে এ ঘটনা। এতে উত্তেজনা বিরাজ করছে ওই এলাকায়।
জানা যায়, ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে মান্দারী বাজারে নিজের ছবি সম্বলিত ফেস্টুন এনেছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খাঁন সুমন। এদিন বিকেলে প্রকাশ্যেই ব্লেড দিয়ে তার ৬০টি ফেস্টুন কেটে ফেলেন পরিবহন শ্রমিক দল নেতা আক্তার হোসেন। এর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আক্তারের কাছে ফেস্টুন কাটার কারণ জানতে চান জামায়াত নেতা সুমন। কিন্তু আক্তার কারণ না জানিয়ে তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে লাঞ্চিত করা হয় জামায়াত নেতাকে।
পরে চ্যানেল ফ্যাশন নামের একটি শো-রুম ভাংচুর করা হয়। ঘটনার সময় ভিডিও করতে গেলে সংবাদকর্মীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন পরিবহন শ্রমিকদল নেতা আক্তার।
জামায়াত নেতা রেজাউল ইসলাম খাঁন সুমন অভিযোগ করেন, কোনও কারণ ছাড়াই আক্তার আমার ফেস্টুন নষ্ট করে ফেলেছেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করতে তেড়ে আসেন। ঘটনার সময় মান্দারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্য জানতে চাইলে পরিবহণ শ্রমিকদল নেতা আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেছেন, ‘বিষয়টি শুনেছি, একটি শোরুমে নাকি হামলা হচ্ছে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। বিস্তারিত জেনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’






