চামড়া পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সীমান্তে চোরাচালান ও চামড়া পাচার ঠেকাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন, যশোর। গত ২১ মে থেকে সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, যশোর রিজিয়নের আওতাধীন প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ঈদকে কেন্দ্র করে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। মহাসড়কে যানজট নিরসন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহায়তার জন্য বিজিবি সদস্যরা কাজ করছেন মাঠে।
গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও মহাসড়ক এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামাল দিতে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। যশোর রিজিয়নের অধীন খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) খান জাহান আলী সেতু (রূপসা) এলাকায় এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) লালন শাহ সেতুর কুষ্টিয়া প্রান্তের টোল প্লাজায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত এই কার্যক্রমে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
সীমান্ত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে যশোর রিজিয়নের অধীন মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) তাদের আওতাধীন ১০৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। ঝিনাইদহের মহেশপুর ও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত এলাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, বিশেষ করে পুশ-ইন ঠেকাতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে গরু চোরাচালান প্রতিরোধ এবং ঈদের পর অবৈধভাবে চামড়া পাচার ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত টহল ও বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
বিজিবি যশোর রিজিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা, সীমান্ত সুরক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বিজিবি সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই বিজিবির সদস্যরা কাজ করছেন নিরলসভাবে।







